এই লেখাটি হালনাগাদ করা হয়েছে ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে। সেন্ট মার্টিন নিয়ে সিদ্ধান্ত প্রশাসনিকভাবে বদলায়, তাই টিকিট কাটার আগে সর্বশেষ অবস্থা একবার মিলিয়ে নেওয়াই নিরাপদ।
এখন কী অবস্থা
পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে টানা ৯ মাস পর্যটক ভ্রমণ বন্ধ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ এই মুহূর্তে দ্বীপে পর্যটক যাওয়ার সুযোগ নেই।
এই হিসাবে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা নভেম্বরের দিকে। তবে তারিখ নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না — সিদ্ধান্তটি প্রতি বছর পর্যালোচনা হয়।
আগে নিয়ম কী ছিল
সাধারণত প্রতি বছর ১ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে পর্যটক যাতায়াতের অনুমতি থাকত। কিন্তু গত মৌসুমে পরিবেশগত ঝুঁকি বিবেচনায় সময়সীমা কমিয়ে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়।
এর সাথে ছিল আরও দুটি শর্ত: নভেম্বর মাসে দ্বীপে রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ ছিল, আর প্রতিদিন নির্দিষ্টসংখ্যক পর্যটকই যেতে পারতেন — গড়ে দিনে প্রায় দুই হাজার।
এর মানে আপনার পরিকল্পনার জন্য কী
যদি সেন্ট মার্টিন আপনার এ বছরের পরিকল্পনায় থাকে, তাহলে তারিখ ঠিক করার আগে দুটি জিনিস নিশ্চিত হতে হবে: দ্বীপ খুলেছে কি না, আর রাত্রিযাপনের অনুমতি আছে কি না। এই দুটির উত্তরই মৌসুমভেদে বদলায়।
আগেভাগে জাহাজের টিকিট বা রিসোর্ট বুক করার আগে অপেক্ষা করুন। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে কেউ ‘নিশ্চিত টিকিট’ দিতে চাইলে সেটি নিয়ে সতর্ক হওয়াই ভালো।
ততদিন কক্সবাজারেই যা যা আছে
টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন বন্ধ থাকলেও কক্সবাজার অঞ্চলে করার মতো অনেক কিছু আছে। মেরিন ড্রাইভ ধরে হিমছড়ি-ইনানী, মহেশখালী আর সোনাদিয়ার দিনভর নৌভ্রমণ, কিংবা রামু — এগুলোর কোনোটিই দ্বীপে যাওয়ার অনুমতির ওপর নির্ভর করে না।
খবর কোথায় মিলিয়ে দেখবেন
জেলা প্রশাসনের ঘোষণা আর জাতীয় সংবাদমাধ্যমই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। ট্রাভেল পেজের পোস্ট অনেক সময় পুরোনো সিজনের তথ্য নিয়ে ঘোরে, আর সেটাই বেশিরভাগ ভুল বোঝাবুঝির কারণ।